April 19, 2026, 11:49 pm

কানাইঘাটে প্রতিপক্ষের বাড়িতে হামলা-লুটপাট: থানায় অভিযোগ

সিলেট প্রতিনিধি :: সিলেটের কানাইঘাটে প্রতিপক্ষের বাড়িতে ২ দফায় হামলা লুটপাট ও ক্ষতি সাধন করা হয়েছে। গত ৫ আগস্ট ও ২ সেপ্টেম্বর উপজেলার বড়দেশ দক্ষিণ গ্রামের জিল্লুর রহমানের বাড়িতে হামলার এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় ৪ সেপ্টেম্বর কানাইঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।

অভিযুক্তরা হলেন- কানাইঘাট উপজেলার বড়দেশ দক্ষিণ গ্রামের মৃত নছিরুল হকের পুত্র রাসেল আহমদ এবং একই বড়দেশ উত্তর (পাঁচঘরি) গ্রামের নূরুল হকের পুত্র আবুল কালামসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজন।

জানা গেছে, কানাইঘাট উপজেলার বড়দেশ দক্ষিণ গ্রামের জিল্লুর রহমান খানের সাথে একই গ্রামের মাদক ব্যবসায়ী রাসেলের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। ফলে নিরাপত্তাহীনতা জনিত কারণে জিল্লুর রহমান খান নিজঘর তালা দিয়ে সিলেট শহরতলী শাহপরাণ এলাকার একটি বাসায় চলে আাসেন।

এই বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষ রাসেল ও আবুল কসলাম গত ৫ আগস্ট সকালে দলবল নিয়ে জিল্লুর রহমানের বসতঘরে সশস্ত্র হামলা চালায়। হামলাকারীরা ঘরের আসবাবপত্র তছনছ ও ভাংচুর করে প্রায় ৪০ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন করে এবং প্রায় দেড়লাখ টাকার মাল লুট করে নিয়ে যায়।

পরবর্তী গত ২ সেপ্টেম্বর ফের রাসেল ও তার সহযোগীরা জিল্লুর রহমানের বাড়িতে হামলা করে গাছবৃক্ষ নিধন করে প্রায় সোয়া লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করে। পাশাপাশি জিল্লুরকে সপরিবারে হত্যার হুমকি দেয়।

কানাইঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ অভিযোগ দায়েরের সত্যতা নিশ্চত করে বলেন- ঘটনার প্রাথমিক তথ্যের তদন্ত চলছে। সত্যতা পাওয়া গেলে নিয়মিত মামলা রুজু করা হবে।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা